রায়গঞ্জসিরাজগঞ্জ

ধানগড়ায় জেন্ডার সমতা ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

সুইজারল্যান্ড দূতাবাস এবং গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডার অর্থায়নে এবং জিএফএ কনসালটিং গ্রুপ কর্তৃক পরিচালিত, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ) এর এমএসএফ এমপাওয়ারহার প্রকল্পের অধীনে জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা ও জেন্ডার সমতা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

পার্টনার সংস্থা জাতীয় পর্যায়ের বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি) এর আয়োজনে ১০ সেপ্টেম্বর ধানগড়া ইউনিয়ন পরিষদে প্রকল্পের আওতাধীন জেন্ডার ইকুয়ালিটি ফোরামের সদস্যদের জেন্ডার সমতা ও জেন্ডারভিত্তিক সহিংসতা বিষয়ক দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য এই কর্মশালা পরিচালিত হয়।

কর্মশালায় রিসোর্স পারসন হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনডিপির উপব্যবস্থাপক (প্রশিক্ষণ বিভাগ) সোমা দাস এবং এমপাওয়ারহার প্রকল্পের ডিস্ট্রিক্ট হিউম্যান রাইটস মনিটরিং অফিসার শিপন চন্দ্র নাগ। এই কর্মশালাটি পরিদর্শন করেন ড. আদি ওয়াকার, টিম লিডার, নাগরিকতা প্রোগ্রাম; জারিন তাসনিম, কমিউনিকেশন ম্যানেজার, নাগরিকতা প্রোগ্রাম; মো. শাখাওয়াত হোসেন, গ্র্যান্টস ম্যানেজমেন্ট এক্সপার্ট, নাগরিকতা প্রোগ্রাম; অ্যাড. সাইদুর রহমান, নির্বাহী প্রধান, মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশন (এমএসএফ); নাজনীন শবনম, প্রকল্প সমন্বয়কারী ও ফোকাল, এমপাওয়ারহার প্রকল্প, এমএসএফ; এবং মো. মনির হোসেন, প্রকল্প অফিসার, এমএসএফ। পরিদর্শন টিমের নেতৃত্ব দেন এনডিপির উপপরিচালক (এমএন্ডই) এবং এমএসএফ এমপাওয়ারহার প্রকল্পের ফোকাল পারসন কাজী মাসুদুজ্জামান।

কর্মশালা পরিদর্শনের পূর্বে পরিদর্শন টিম এনডিপির প্রধান কার্যালয়ে তাদের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় সভাপতিত্ব করেন এনডিপির নির্বাহী পরিচালক মো. আলাউদ্দিন খান। এসময় এনডিপির কার্যক্রম ও এমপাওয়ারহার প্রকল্প বাস্তবায়নে কৌশলগত বিষয়ে সংক্ষিপ্ত উপস্থাপনা করেন মো. মিজানুর রহমান, সহকারী পরিচালক (প্রোগ্রাম এন্ড প্ল্যানিং), এনডিপি। 

কর্মশালা শেষে পরিদর্শন টিম রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির এর সঙ্গে প্রকল্প কার্যক্রম ও এর বাস্তবায়ন সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। আলোচনায় প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য- নারী নেতৃত্বের বিকাশ, জেন্ডারভিত্তিক সমতা নিশ্চিতকরণের পাশাপাশি মানবাধিকার লঙ্ঘণ দূর করার বিষয়ে এই প্রকল্পের সংশ্লিষ্ট উপকারভোগীসহ সাধারণ মানুষেরা সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো হতে কিভাবে সহায়তা পেতে পারে সেই বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হয়। উক্ত আলোচনায় রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. হুমায়ুন কবির বলেন, “এই প্রকল্প সম্পর্কে আমি আগে থেকেই অবগত আছি। আমি তাদের কয়েকটি সভায় উপস্থিত ছিলাম এবং সকলের অংশগ্রহণ দেখে আমি অনেক খুশি। আমি এই প্রকল্পের সবসময় সফলতা কামনা করি এবং এর সাথে জড়িত সকলকে ধন্যবাদ জানাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button