
সিরাজগঞ্জ জেলার রায়গঞ্জ উপজেলার পাঙ্গাসী ইউনিয়নের দেউলমুড়া উত্তর পাড়া গ্রামের বাসিন্দা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বয়স ১৪ বছর। এই বয়সে একটি সুন্দর ফুটফুটে কণ্যা সন্তান জন্ম দিয়েছে। সন্তানের বয়স ৭ মাস। ৭ মাস বয়সেও সন্তানের পিতৃ পরিচয় মেলেনি। তবে সন্তানের মা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীর সাথে কথা বলে জানা যায় পাশের বাড়ীর মো. হাবিব সেখ (৪০), পিতা আবু ছাঈদ, মো. মালেক সেখ(৩০), পিতা কাশেম সেখ, মো. সাগর (৪৫) পিতা কদু সেখ এবং মো. ইসমাইল হোসেন (৪৫) এই ৪ জন বিভিন্ন সময়ে আলাদা ভাবে বাড়ীর পাশের ক্ষেতে নিয়ে ধর্ষণ করে। তার ফলে তার সন্তান জন্ম নিয়েছে। জানা যায় প্রতিবন্ধীর পরিবার অতিদরদ্র, বুদ্ধি প্রতিবন্ধীর পিতা মৃত, মা বুদ্ধি প্রতিবন্ধী হওয়ায় মামলার বাদী না থাকায় এ পর্যন্ত কোন রকম মামলা হয় নাই। এমনকি টাকার অভাবে তারা কোথাও যেতেও পারেনি। তবে পাঙ্গাসী ইউনিয়নের প্যানেল চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে গ্রামের মাতব্বরদের মাধ্যমে একাধিক গ্রাম্য শালিস বৈঠকের মাধ্যমে পঞ্চাশ হাজার টাকার জরিমানা করে সমাধান করার তথ্য পাওয়া যায়। এখন পর্যন্ত ভুক্তভোগীর পরিবার সে টাকা পাইনি। বুদ্ধি প্রতিবন্ধী কিশোরীর সাথে কথা বলে জানা যায় এবং তার অনুভূতি ব্যক্ত করে বলেন সে টাকা চায় না। সে চায় তার সন্তানের পিতৃ পরিচয়। এই বিষয়ে প্রশাসনের সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেন এবং দৃষ্টি কামনা করেন। ভুক্তভোগী ও তার পরিবারের পাশে থেকে ভিকটিমকে কাউন্সেলিং ও সাহস যোগাচ্ছে বেসরকারী উন্নয়ন সংস্থা ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (এনডিপি)র ডিএইচআরএনএস এবং এমএসএফ এমপাওয়ারহার প্রজেক্টের কর্মকর্তাবৃন্দ।






